# Bangla Voice

Bangla Voice

- Site: https://bdonlinenwespaper.digital/

## তারেকের জন্য ট্রাভেল পাস লাগে, শেখের বেটি নিজেই একটা ট্রাভেল পাস:

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/05/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b8-2/
- Published: 2026-11-05T09:42:16+00:00
- Author: admin

 

**[⌊Graphic featuring Sheikh Hasina with text translating to: Tarique needs a travel
pass, Sheikh's daughter herself is a travel pass⌉⌊Graphic featuring Sheikh Hasina
with text translating to: Tarique needs a travel pass, Sheikh's daughter herself
is a travel pass⌉[আজ যারা শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেবে না বলে হুঙ্কার দিচ্ছে, তাদের
ভুলে যাওয়া উচিত নয় এই দেশটা কার। এই দেশটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের।
আর শেখ হাসিনা হলেন সেই জাতির পিতার রক্ত, তার আদর্শের ধারক।**

**তারেক রহমানের জন্য ট্রাভেল পাস লাগে। কারণ তার রাজনৈতিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন আছে,
তার দেশে ফেরা নিয়ে প্রশ্ন ছিল, তার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু শেখের বেটির
জন্য কোনো কাগজ লাগে না। তিনি নিজেই বাংলাদেশের পাসপোর্ট। তিনি নিজেই বাংলাদেশের পরিচয়।
কোটি মানুষের হৃদয়ে তার নামে যে ভিসা লাগানো আছে, কোনো সরকারের সিলমোহর দিয়ে তা বাতিল
করা যায় না।**

**যে তারেক সরকার আজ ক্ষমতায় বসে শেখ হাসিনার ট্রাভেল পাস আটকানোর ঘোষণা দেয়, তাদের
সেই ক্ষমতাই নেই এই কাগজ ইস্যু করার। কারণ এই রাষ্ট্রের বৈধতার ভিত্তি, এই সংবিধান,
এই মানচিত্র সবই জাতির পিতার দেওয়া। জাতির পিতার কন্যাকে আটকানোর অধিকার এই অবৈধ দখলদারদের
কে দিয়েছে?**

**শেখ হাসিনা ভারতে আছেন, কিন্তু তিনি বাংলাদেশেই আছেন। তার উন্নয়ন, তার পদ্মা সেতু,
তার মেট্রোরেল, তার বিদ্যুৎ, তার ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিটি ইটে তিনি আছেন। তাকে কাগজ
দিয়ে আটকানো যাবে না।**

**ইতিহাস সাক্ষী, বঙ্গবন্ধুর রক্ত বৃথা যায় না। শেখের বেটি ফিরবে, নিজের পরিচয়েই 
ফিরবে। কোনো ট্রাভেল পাস লাগবে না, কারণ দেশটাই তার বাবার।**

## “ছাত্র-শ্রমিক-জনতা, গড়ে তোল একতা” – শ্রমিক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/05/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a7%8b/
- Published: 2026-11-05T08:08:39+00:00
- Author: admin

[⌊A young man in front of a protesting crowd with Bengali text calling for student,
worker, and public unity in Bangladesh⌉⌊A young man in front of a protesting crowd
with Bengali text calling for student, worker, and public unity in Bangladesh⌉[

**“ছাত্র-শ্রমিক-জনতা, গড়ে তোল একতা” – শ্রমিক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ**

**“ছাত্র-শ্রমিক-জনতা, গড়ে তোল একতা!**

**শ্রমিক বাঁচলে, বাঁচবে দেশ**

**রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ”**

**কালো হুডি পরা তরুণের পেছনে লাল পতাকা হাতে মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে থাকা জনতার অবয়ব
এবং লাল-কালো রঙের ব্যবহার পোস্টারটিকে দিয়েছে এক প্রতিবাদী ও বিপ্লবী আবেদন।**

**এই একটি ছবি যেন হাজারো প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে। দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি 
যে শ্রমিক, তাদের অস্তিত্ব আজ নানা সংকটে। কখনো মজুরি বৈষম্য, কখনো কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা,
কখনো বা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া— শ্রমিক সমাজ আজও তার প্রাপ্য সম্মান থেকে
অনেক দূরে।**

**পোস্টারে ব্যবহৃত স্লোগান “শ্রমিক বাঁচলে, বাঁচবে দেশ” – এটি কোনো রাজনৈতিক স্লোগানের
মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের বাস্তবতা। কল-কারখানা, কৃষি খামার, নির্মাণ 
সাইট থেকে শুরু করে প্রবাসে দেশের রেমিট্যান্স যোদ্ধা— প্রতিটি জায়গায় শ্রমিকের ঘামেই
গড়ে উঠছে বাংলাদেশ। সেই শ্রমিক যদি না বাঁচে, তার পরিবার যদি না বাঁচে, তবে দেশের উন্নয়নের
ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়বে।**

**এখানেই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে “ছাত্র-শ্রমিক-জনতা, গড়ে তোল একতা” এই ঐতিহাসিক আহ্বান।
১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ এর ছাত্র-
জনতার অভ্যুত্থান— প্রতিটি বাঁকে ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের ঐক্যই নতুন ইতিহাস
রচনা করেছে। এবার সেই ঐক্যের ডাক এসেছে শ্রমিকের অধিকার রক্ষার জন্য।**

**সচেতন মহলের মতে, এই পোস্টারটি কোনো ব্যক্তি বিশেষের নয়, বরং সময়ের দাবির প্রতীক।
এটি মনে করিয়ে দেয়, দেশকে রুখে দাঁড়াতে হলে, দেশকে বাঁচাতে হলে সবার আগে বাঁচাতে হবে
দেশের শ্রমিককে। তার ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত 
করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।**

**ছাত্র, শ্রমিক ও জনতার এই সম্মিলিত জাগরণই পারে একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ
গড়ে তুলতে।**

## সংলাপ নয়, লাঠিচার্জ: পোশাক শ্রমিক আন্দোলন কোন পথে?

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/05/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a6%be/
- Published: 2026-11-05T07:56:39+00:00
- Author: admin

[[ [](https://bdonlinenwespaper.digital/wp-content/uploads/2026/11/Meta_AI_887186284_1654659206194711_8143580824182682051_n_20261105_135028-1.jpg)

**সংলাপ নয়, লাঠিচার্জ: পোশাক শ্রমিক আন্দোলন কোন পথে?**

**সুষ্ঠু শ্রমিক আন্দোলন সরকারি দমন-পীড়নের মুখে: বেঁচে থাকার জন্য পোশাক শ্রমিকদের
সংগ্রাম**

**দেশের অর্থনীতির চাকা যে শ্রমিকদের ঘামে সচল থাকে, আজ তারাই বেঁচে থাকার তাগিদে রাজপথে
নেমে দমন-পীড়নের শিকার। ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের মতো
মৌলিক দাবিতে গড়ে ওঠা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ শ্রমিক আন্দোলন আজ কঠোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের
মুখোমুখি।**

**পেটের দায়ে রাজপথে**

**গাজীপুর, আশুলিয়া, সাভার ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, পোশাক শ্রমিকদের
আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক ইস্যুতে নয়, একেবারেই জীবন-জীবিকার প্রশ্নে। **

**একজন নারী শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বাজারে চালের কেজি ৭০ টাকা, বাড়ি
ভাড়া ৫ হাজার। ১২ হাজার টাকা বেতনে বাচ্চা নিয়ে বাঁচবো কীভাবে? আমরা তো বেশি কিছু
চাইনি, শুধু বাঁচার মতো একটা বেতন চেয়েছি।”**

**শ্রমিকদের মূল দাবিগুলো স্পষ্ট:**

**১.  বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণ**

**২.  ওভারটাইমের সঠিক হিসাব ও যথাসময়ে পরিশোধ**

**৩.  কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, হয়রানি বন্ধ ও ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার**

**৪.  বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার কারণে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা**

**শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে দমন-পীড়নের অভিযোগ**

**আন্দোলনের শুরুতে শ্রমিকরা কারখানার সামনে মানববন্ধন ও সড়কের পাশে অবস্থান কর্মসূচি
পালন করলেও, গত কয়েকদিনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।**

**প্রত্যক্ষদর্শী ও শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ মিছিলে লাঠিচার্জ, জলকামান 
ব্যবহার এবং নির্বিচারে মামলা ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অনেক কারখানায় আন্দোলনে অংশ 
নেওয়া শ্রমিকদের হাজিরা বাতিল করে বরখাস্তের চিঠি দেওয়া হয়েছে।**

**একজন শ্রমিক নেতা বলেন, “আমরা যখনই আমাদের অধিকারের কথা বলি, তখনই আমাদের ওপর ‘বহিরাগত’,‘
উস্কানিদাতা’ তকমা লাগিয়ে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়। শ্রমিকরা
কারো এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে না, তারা নিজের পেটের এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছে।”**

**এ পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় কয়েকশো অজ্ঞাত শ্রমিককে আসামি করে মামলা দায়েরের খবর 
পাওয়া গেছে, যার ফলে সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে।**

**অর্থনীতির চালিকাশক্তি কেন অবহেলিত?**

**বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। প্রায় ৪০
লাখ শ্রমিক, যাদের সিংহভাগই নারী, এই শিল্পকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেছে।**

**অথচ যারা “মেড ইন বাংলাদেশ” ট্যাগকে বিশ্বমানের করেছেন, তাদের জীবনমান এখনো মানবেতর।
একদিকে মালিকপক্ষের লাভের অঙ্ক বাড়ছে, অন্যদিকে শ্রমিকের জীবন চলছে ঋণ আর টানাপোড়েনে।**

**শ্রম অধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দমন-পীড়ন দিয়ে সাময়িকভাবে আন্দোলন থামানো গেলেও,
সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। শ্রমিক অসন্তোষকে আইনশৃঙ্খলা সমস্যা হিসেবে না দেখে,
এটিকে একটি অর্থনৈতিক ও মানবিক সমস্যা হিসেবে দেখতে হবে।**

**সমাধান কোথায়?**

**সুষ্ঠু শিল্প সম্পর্কের জন্য প্রয়োজন ত্রিপক্ষীয় সংলাপ – সরকার, মালিক এবং শ্রমিক
প্রতিনিধিদের নিয়ে খোলামেলা আলোচনা। শ্রমিকদের ভয় দেখিয়ে নয়, তাদের কথা শুনে এবং
ন্যায্য দাবি মেনে নিয়েই এই সংকটের সমাধান সম্ভব।**

**পোশাক শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দিতে চান না, তারা কাজ করেই বাঁচতে চান। তাদের এই বাঁচার
লড়াইকে সম্মান জানানো রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব। কারণ শ্রমিক বাঁচলেই শিল্প বাঁচবে, শিল্প
বাঁচলেই বাঁচবে বাংলাদেশ।**

## সরকারি দমন-পীড়নের মুখে পোশাক শ্রমিকদের বাঁচার সংগ্রাম, ন্যায্য মজুরির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/05/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%80%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%aa/
- Published: 2026-11-05T07:20:46+00:00
- Author: admin

**সরকারি দমন-পীড়নের মুখে পোশাক শ্রমিকদের বাঁচার সংগ্রাম, ন্যায্য মজুরির দাবিতে 
উত্তাল শিল্পাঞ্চল**

**মাস শেষে পাওয়া মজুরির অর্ধেকই চলে যায় ঘর ভাড়ায়। বাকি টাকায় কোনো রকমে চলে 
ভাত-ডাল-তেল, সন্তানের লেখাপড়া আর অসুস্থ মায়ের ওষুধ। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশের
রপ্তানি আয় সচল থাকে, তারাই আজ অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।**

**সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অবৈধ বিএনপি সরকারের ছত্রছায়ায় সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে নিত্যপণ্যের
দাম আকাশছোঁয়া হলেও শ্রমিকদের মজুরি স্থবির হয়ে আছে। শাসকগোষ্ঠী আরও ধনী হচ্ছে, আর
শ্রমিকের থালা থাকছে খালি। এই প্রেক্ষাপটে ৩০,০০০ টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবি কোনোভাবেই
অতিরিক্ত নয়, বরং অবৈধ বিএনপি সরকারের নিপীড়নের মধ্যে বেঁচে থাকার ন্যূনতম শর্ত।**

**রাস্তায় ক্ষুধার্ত শ্রমিক, চলছে অবরোধ-বিক্ষোভ**

**এই ক্ষুধার্ত মানুষগুলোই এখন রাস্তায় নেমেছে। গত ১ নভেম্বর টানা তৃতীয় দিনের মতো
মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেন পোশাক শ্রমিকরা। তার আগের দিন গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক
অবরোধের কারণে কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব কারখানা বন্ধ হয়ে যায়।**

**আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাদের দাবি না শুনে অবৈধ বিএনপি সরকার কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড
গ্রেনেড ছুড়ে এবং গাজীপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করে জবাব দিয়েছে।
বিক্ষোভের কারণে মিরপুরে পাঁচটি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয় এবং আশুলিয়ায়
বেশ কয়েকজন আহত হন।**

**মাসের পর মাস ধরে শ্রমিকরা তিন দফা দাবি জানিয়ে আসছেন — ন্যূনতম মজুরি ৩০,০০০ টাকা,
কালো তালিকাভুক্তি বা ব্ল্যাকলিস্টিং বন্ধ করা এবং বকেয়া বেতন পরিশোধ। কিন্তু অবৈধ
বিএনপি সরকার মালিকপক্ষের পাশে দাঁড়িয়ে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উত্তরায়
সংঘর্ষে পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও জলকামানে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। অধিকার
চাইতে গিয়ে অনেক শ্রমিককে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এই ন্যায্য আন্দোলনের
পেছনে “বাইরের উসকানি” খুঁজছে। কিন্তু শ্রমিকদের বক্তব্য, তারা কোনো তকমা চান না, চান
ন্যায্য মজুরি।**

**বন্ধ হচ্ছে কারখানা, বেকার লাখো শ্রমিক**

**এদিকে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্সভিত্তিক সংগঠন জাস্টিসমেকার্স
বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (JMBF) এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের
জুন পর্যন্ত ৪৫৭টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে, যার ফলে ২ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক
বেকার হয়েছেন। সর্বশেষ প্যাসিফিক জিন্সের একটি কারখানা বন্ধ হয়েছে, যেখানে কর্মরত
৫,৫০০ শ্রমিক চাকরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন। এ বিষয়ে অবৈধ বিএনপি সরকার উদাসীন ভূমিকা
পালন করছে বলে অভিযোগ।**

**প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার শাসনামলে মজুরি বোর্ডের
মাধ্যমে নিয়মিত মজুরি পুনর্মূল্যায়ন করা হতো এবং শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে নানা
উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে অবৈধ বিএনপি সরকারের হাতে লাঠি আর বন্দুক ছাড়া কিছুই
নেই।**

**শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনে লাঠি, গ্রেনেড ও কালো তালিকাভুক্তির মাধ্যমে দমন-পীড়ন
অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এই
শ্রমিকদের থালায় খাবার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তাদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার
দাবিই এখন মুখ্য। লক্ষ লক্ষ শ্রমিক পরিবার আশা নিয়ে অপেক্ষা করছে, তারা তাদের অধিকার
ফিরে পাবে।**

## ২০১৬ সালে বিশ্বের ২ লাখ ১৪ হাজার ব্যক্তির টাকা পাচারের নথি প্রমাণ সহ ফাঁস করে দিয়েছিলো পানামা পেপার্স।১১.৫ মিলিয়নের এই নথিতে নাম ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া , তারেক রহমান ও কোকোর নাম।

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/05/%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a7%a7%e0%a7%aa/
- Published: 2026-11-05T06:47:52+00:00
- Author: admin

[[

**২০১৬ সালে বিশ্বের ২ লাখ ১৪ হাজার ব্যক্তির টাকা পাচারের নথি প্রমাণ সহ ফাঁস করে 
দিয়েছিলো পানামা পেপার্স।১১.৫ মিলিয়নের এই নথিতে নাম ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা
জিয়া , তারেক রহমান ও কোকোর নাম:**

**২০১৬ সালে বিশ্বের ২ লাখ ১৪ হাজার ব্যক্তির টাকা পাচারের নথি প্রমাণ সহ ফাঁস করে 
দিয়েছিলো পানামা পেপার্স।১১.৫ মিলিয়নের এই নথিতে নাম ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা
জিয়া , তারেক রহমান ও কোকোর নাম। কিন্তু ১৪০ টি রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক দের মধ্যে
একমাত্র পাকিস্তানের নওয়াজ শরীফ সাজা পেয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ায়। প্যারাডাইস প্যাপারস
ডট কম এর দূর্নীতির তালিকায় উঠে এসেছিল খালেদা জিয়ার দুই পুত্র দূর্নীতির অঘোষিত 
সম্রাট তারেক ও কোকোর নাম।**

**খালেদা জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মালয়েশিয়ায় ৪৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের দূর্নীতির
চিত্র প্রমাণ সহ প্রকাশ করেছিল পানামা পেপার্স। এছাড়াও “ওয়াকারস ‘ নামে একটা আইন 
ফার্মের সহযোগিতায় ২০০২ সালে কর ফাঁকি দিয়ে খালেদা জিয়ার পুত্র কোকো সিঙ্গাপুরে 
পাচার করেছিলেন ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।**

**সম্প্রতি রাজনীতিতে আলোচিত ” আই হ্যাভ এ প্লান ” তারেক রহমান সম্পর্কে আপনি কতটুকু
জানেন?**
 **পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে নাম এসেছিল খালেদা জিয়ার পুত্র দূর্নীতির
অঘোষিত সম্রাট তারেক জিয়ার নাম। লন্ডনের অফশোর ইন্ড্রাস্ট্রির অ্যাপলবি ঠিকানা দিয়ে(
১৯৮৬- ২০০৬) সাল পর্যন্ত তারেক জিয়া ট্যাক্স হেভেনে পাচার করেছিলেন ৮০ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার। ** **তারেক জিয়াকে দূর্নীতির বরপুত্র কেন বলা হয় তা এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে 
গেছেন। বিএনপির হয়ে নোয়াখালী থেকে নির্বাচন করা খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল
মিন্টু, তার স্ত্রী নাসরিন, তার তিন ছেলে তাবিথ আউয়াল ও তাজওয়ার আউয়াল।১২ ফেব্রুয়ারির
প্রহসনের নির্বাচনে শীর্ষ দশ ধনীর সবাই বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পর্কিত। একবারও কি
বিবেকের দরজায় দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেছেন – আগামীর বাংলাদেশ কাদের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছেন?**

**তারেক জিয়ার এই অফশোর ইন্ড্রাস্ট্রির পানামা আইল্যান্ড, ব্রিটিশ ভার্জিনস আইল্যান্ড,
দুবাই ও সিঙ্গাপুরে তারেক জিয়ার মাধ্যমে আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মত ব্যবসায়ীরা প্রায়
৭০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বিনিয়োগ করেছে , যা বাংলাদেশের মোট জিডিপির প্রায় ১.৩ 
শতাংশ।এত এত অবৈধ অর্থ এইভাবে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে। বাংলাদেশের মানি লন্ডারিং
জগতের অঘোষিত সম্রাট তারেক জিয়া অর্থ পাচারের জন্য এই ট্যাক্স হেভেন বেছে নিয়েছিলেন।**
**
কিন্তু তারেক জিয়া সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দূর্নীতিবাজ নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানের এসব গোপন
তথ্য ২০১৬ সালে ফাঁস করে দিয়েছিলো পানামা পেপার্স।**

**নিজেকে কখনো প্রশ্ন করেছিলেন – একসময় মাত্র ৩০০ ডলারের চাকরি করা ইউনূস কীভাবে বিলিয়ন
বিলিয়ন ডলারের মালিক হলো?**

**সম্প্রতি সারাবিশ্বে আলোচিত হচ্ছে জেফ্রি এপস্টেইন এর ৩০ লাখ নথির ” এপস্টেইন ফাইলস
ট্রান্সফারেন্সি অ্যাক্ট” । ১৯৭৬ সালে নারী পা/চার/কারী জেফ্রি এপস্টেইন বিনিয়োগ করেছিলেন
আমেরিকার ব্যাংকিং খাতে।১৯৭৪ সালে আমেরিকার ফুড পলিটিক্সের শিকার বাংলাদেশে ইউনূস তৈরি
করেছিলেন গরীবের সম্পদ লুট করার ” জোবরা প্রজেক্ট।” জেফ্রি এপস্টেইন তখন চাকরি করা 
শুরু করেছেন ওয়াল্ড স্ট্রীটের বায়ার্নসের সাথে।অল্প বেতনে ডাল্টন স্কুলে গণিতের চাকরি
থেকে বহিস্কারের মাত্র ছয় বছরেই ১৯৮২সালে এপিস্টেইন খুলে বসেন নিজের এক বিলিয়ন ডলারের
কোম্পানি ” জে এপেইস্টেন এন্ড কো.”।১৯৭৪ সালে ‘ জোবরা প্রজেক্ট ‘ শূরু করার মাত্র ৯
বছরের মাথায় এপস্টেইন এর মতো করে ইউনূস প্রতিষ্ঠিত করেন নিজের কোম্পানি ” গ্রামীণ 
ব্যাংক ”। ইউনূস ও এপস্টেইন দু’জনেই অর্থনীতি খুব ভালো বুঝেন।তাই এপস্টেইনের মতো ইউনূস
তার প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করেছিলেন আমেরিকাকে। এদের দু’জনের এই উন্নতির পেছনে 
যে নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত তা হচ্ছে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।ক্লিনটন
ফাউন্ডেশনের সাথে তাই ইউনূসের গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের এত সখ্যতা।**

**ইউনূস ২০০৬ সালে যে বছর নোবেল পুরস্কার পেলেন সেই একই বছর খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা
আব্দুল আউয়াল মিন্টু নারী ধ/র্ষ/ক এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রিচার্ডসনকে মার্কিন নির্বাচনের
জন্য ৫,০০০ মার্কিন ডলার অনুদান দেন।এর ঠিক এক বছর আগেই ২০০৫ **
 **সালে ১৪ বছরের এক
কিশোরীকে নিজের ৭৫ একরের পেডোফাইল আইল্যান্ডে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠে এপেস্টাইনের
বিরুদ্ধে।১৯৯৩ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আমেরিকার দুই মেয়াদের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন
হয়ে এসেছিলেন ইউনূস ও এপস্টেইনের জন্য আশীর্বাদ।বিল ক্লিনটনের প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা
ও বন্ধুত্বকে কাজে লাগিয়ে এপিস্টেইন পরিণত হন এক মাল্টি বিলোনিয়ার। ২০০২ সালে জনপ্রিয়
নিউইয়র্ক টাইমস পর্যন্ত কিনে নিতে চেয়েছিলেন এপস্টেইন। অপরদিকে ১৯৯৭ সালে নিজের ঘনিষ্ঠ
বন্ধু বিল ক্লিনটনের প্রভাব কাজে লাগিয়ে নরওয়েজিয়ান কোম্পানির সাথে পার্টনারশিপে
ইউনূস বাংলাদেশে নিয়ে আসেন গ্রামীণ ফোন।এর পেছনে অর্থায়ন ছিল দেশে দেশে সরকার পরিবর্তন
করা ইহুদি জর্জ সোরসের বিনিয়োগ।সোরসের ওপেন ফাউন্ডেশন+ ক্লিনটনের ক্লিনটন ফাউন্ডেশন
আর ইউনূসের গ্রামীণ ফাউন্ডেশন এক হয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ শুরু করে। ইউনূস
পরিণত হন এক অর্থনৈতিক দানবে।**

**মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও মনিকা লিউনস্কির যৌন কেলেঙ্কারির কথা সারা বিশ্ব
জানে। কিন্তু একজন যৌন নীপিড়ক কীভাবে শান্তির নোবেল খ্যাত ইউনূসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে
যান এবং ২০২৪ সালে সেই ক্লিনটনের ” ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ” সম্মেলনে ইউনূসকে 
সম্মানিত করা হলে ৫ ই আগষ্টের আন্দোলন নিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে ইউনূস নিজ কন্ঠে স্বীকার
করেন __**

**” The students revolution in Bangladesh was not organic but a meticulously designed
agitation which did not came naturally.”**

**সত্য কখনোই গোপন থাকে না। বাংলাদেশ নিয়ে ইউনূসের এই মেটিকুলাসলি ডিজাইনড জাতির সামনে
পরিষ্কার হয়ে গেছে।এক সময় গ্রামীণ ব্যাংকে ক্ষুদ্র বেতনের চাকরি করা ইউনূস এখন গ্রামীণ
ব্যাংকের মালিক। শুধু তাই নয় গ্রামীণ ফোনের ৪৪ শতাংশ শেয়ারের মালিকও হচ্ছেন এই ইউনূস।
এর পেছনের বিনিয়োগ ইহুদি জর্জ সোরোস ও বিল ক্লিনটনের পরিবারের এতে কোন সন্দেহই নেই।
এই মেটিকুলাস ডিজাইনের আমেরিকার ৫ বিলিয়ন ডলারের শেখ হাসিনা পতনের প্রজেক্ট ইউনূস 
তুলে দিয়েছিলেন ধর্ম ব্যবসায়ী ও জ-ঙ্গী সংগঠন জামায়াত শিবিরের হাতে।**

**এপস্টেইনকে নিয়ে একসময় নিউইয়র্ক টাইমস তাকে বুদ্ধিজীবী ছাপিয়ে প্রতিবেদন ছাপতো।
আজ যেমন বাংলাদেশের ভেতর অশান্তির সৃষ্টি করা ইউনূসকে শান্তির নোবেল ভেবে বাংলাদেশের
মিডিয়া প্রশংসা ভাসায়। কিন্তু রাশিয়ার ভেরা ফরেস্তেনকোকে বিয়ের প্রলোভনে ফেলে ইউনূসের
অন্ধকার সমাজ্যের বিষয়ে মিডিয়া যেন একদম চুপ।১৯৯২ সালে এপস্টেইন আমেরিকার ম্যানহাটনে
সবচেয়ে বড় বাড়ি কিনে আলোচনার এসেছিলেন। অন্যদিকে তার ঠিক এক বছর পর ১৯৯৩ সালে ডক্টর
ইউনুস আলোচনায় এসেছিলেন ডক্টর কামালের সাথে ” আমার দল” নামক রাজনৈতিক দল তৈরি করে।
এই দু’জনের ক্ষমতা ও অর্থের উৎস ছিল ১৯৯৩ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়া বিল ক্লিনটন।
বিল ক্লিনটন ছিলেন এপস্টেইন ও ইউনূসের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ইউনূসের ক্ষমতার উৎস সবসময়
ছিল আমেরিকা। ইউনূস কখনোই বাংলাদেশের জনগণের জন্য রাজনীতি করেননি। ইউনূস বাংলাদেশের
অর্থনীতি ধ্বংসের এক দানব।এর মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক নেতাদের ব্লাকমেইল করতেন।মানি লন্ডারিং
করার জন্য , ট্যাক্স হেভেনে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কর ফাঁকি দিতেন।একই মানি
লন্ডারিং মামলায় এপস্টেইন অভিযুক্ত হয়েছেন আমেরিকায়।**

**বিশ্ব বিখ্যাত ফাঁস হওয়া উইকিলিকসের নথিতে বাংলাদেশের জঙ্গীদের মদদদাতা হিসেবে ফাঁস
হয় তারেক জিয়ার নাম।২১ শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলার সরাসরি তারেকের সম্পৃক্ততা এবং 
জ-ঙ্গী সংগঠন জেএমবির বাংলা ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ কামরুলের সাথে তারেক জিয়ার কথোপকথন ফাঁস।
উইকিলিকসের এই বোমশেল ছিল বিএনপি ও জামায়াতের নষ্ট রাজনীতির মুখে এক বিশাল চপোটাঘাত।
তারেক জিয়া সম্পর্কে বলতে গিয়ে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেফরি এফ মরিয়ার্টি লিখেন,”
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দুষ্টু ও ভয়ঙ্কর পুত্র হচ্ছে তারেক।” তারেক রহমান
সম্পর্কে বলতে গিয়ে মরিয়ার্টি আরও বলেছেন, ” তারেক রহমান ভয়ঙ্কর রাজনীতিবীদ এবং 
দূর্নীতি ও চুরির মানসিকতাসম্পন্ন সরকারের প্রতীক।” এই দূর্নীতির বরপুত্রকেই ২০০১ সাল
থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ” হাওয়া ভবন” এ পাহারা দিয়ে রেখেছিল জামায়াত শিবির। এজন্য
যখনি দূর্নীতির প্রসঙ্গ উঠে আসে তখন জামায়াত হয় তার পাহারাদার। বিএনপির সারাবিশ্বে
দূর্নীতিতে প্রথম স্থান অধিকারের দূর্নীতির হ্যাটট্রিকের সবচেয়ে বড় অংশীদার ছিল এই
জামায়াতে ইসলাম।**

**⌊‼⌉⌊‼⌉ভাবেন , প্লিজ ভাবতে থাকুন।অন্তত দেশটা বাঁচান⌊‼⌉**

**Referances & evidences :**
 **https://stratnewsglobal.com/neighbours/bangladesh/
is-tarique-rahman-more-wealthy-than-he-actually-claims/** **https://dailyasianage.
com/news/97402/watch-saudis-anti-corruption-drive-khaleda-zia-4-other-high-profile-
foreigners-named** **https://www.dailyo.in/amp/politics/khaleda-zia-bangladesh-money-
laundering-saudi-arabia-india-20981**

**সত্য সবসময় সুন্দর**

**০৩-০২-২০২৬**

## ডিসেম্বরেই ফিরছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা, মেহনতী মানুষের হাত ধরেই হবে বাংলাদেশ পুনরুদ্ধার: লতিফ বিশ্বাস

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/05/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d/
- Published: 2026-11-05T06:33:27+00:00
- Author: admin

[[

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

[ ](https://bdonlinenwespaper.digital/wp-content/uploads/2026/11/Meta_AI_885266046_4506890732863316_4513521977431309380_n_20261102_221656.webp.jpg)

নেত্রীর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগেই প্রস্তুত থাকার আহ্বান লতিফ বিশ্বাসের

[ ](https://bdonlinenwespaper.digital/wp-content/uploads/2026/11/Meta_AI_885266046_4506890732863316_4513521977431309380_n_20261102_221656.webp.jpg)

অপেক্ষার প্রহর শেষ হতে চলেছে। বাংলাদেশের গণমানুষের অবিসংবাদিত নেত্রী, বঙ্গবন্ধু 
কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরেই ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করবেন।

[ ](https://bdonlinenwespaper.digital/wp-content/uploads/2026/11/Meta_AI_885266046_4506890732863316_4513521977431309380_n_20261102_221656.webp.jpg)

দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তায় তিনি বলেন —

“নেত্রী ফিরছেন ডিসেম্বরেই। এর মধ্যে যদি, কিন্তু কোনো এক্সকিউজ নেই। বাংলাদেশকে পুনরুদ্ধারের
এই প্রত্যাবর্তন হবে সাধারণ মেহনতী মানুষের হাত ধরেই, তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের
মধ্য দিয়েই। সুতরাং প্রস্তুত থাকুন নেত্রীর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সফল করার 
জন্য।”

লতিফ বিশ্বাস বলেন, আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম, মুক্তিযুদ্ধের
চেতনার বাতিঘর। আজ যখন স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে চায়,
ঠিক তখনই আশার আলো হয়ে ফিরছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন কোনো সাধারণ রাজনৈতিক
কর্মসূচি নয়, এটি বাংলাদেশকে আবারও মুক্তিযুদ্ধের ধারায় ফিরিয়ে আনার লড়াই।

[ ](https://bdonlinenwespaper.digital/wp-content/uploads/2026/11/Meta_AI_885266046_4506890732863316_4513521977431309380_n_20261102_221656.webp.jpg)

তিনি সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশের সকল স্তরের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে, সকল ভেদাভেদ ভুলে
রাজপথে থাকার আহ্বান জানান।

[ ](https://bdonlinenwespaper.digital/wp-content/uploads/2026/11/Meta_AI_885266046_4506890732863316_4513521977431309380_n_20261102_221656.webp.jpg)

আহ্বানে:

সিরাজগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ জননেতা আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ 
বিশ্বাস (সাবেক মন্ত্রী)

## সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে (বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর থানা অঞ্চল) বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জনাব আব্দুল লতিফ বিশ্বাস এর সকল উন্নয়নকাজ :

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/05/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a7%ab-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%9a%e0%a6%bf/
- Published: 2026-11-05T06:25:06+00:00
- Author: admin

 

 নিজস্ব প্রতিবেদক

**সিরাজগঞ্জ ৫ আসনে বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর থানা অঞ্চল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের
আমলে জনাব আব্দুল লতিফ বিশ্বাস দুই মেয়াদে সংসদ সদস্য ১৯৯৬ ২০০১ এবং ২০০৮ ২০১৪, মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ২০০৯ ২০১৩ এবং পরবর্তীতে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চেয়ারম্যান
২০১৪ ২০২৩ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।**

**সরকারি ব্যবস্থাপনায় কোনো জনপ্রতিনিধির পুরো মেয়াদের সব প্রকল্পের একক বা সমন্বিত
আর্থিক তালিকা একটি নির্দিষ্ট গেজেটে সংরক্ষিত থাকে না; কারণ কাজগুলো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়,
অধিদপ্তর পাউবো, এলজিইডি, শিক্ষা প্রকৌশল এবং স্থানীয় সরকার সংস্থার বার্ষিক বাজেটের
মাধ্যমে ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হয়। সরকারি দপ্তরের প্রকল্প তথ্য ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত
তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর মেয়াদে বাস্তবায়িত প্রধান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং খাতওয়ারি
বরাদ্দের বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:**

**প্রধান উন্নয়ন প্রকল্প ও খাতওয়ারি বরাদ্দের তালিকা**

**১। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত বেলকুচি ও চৌহালী**
 **প্রধান কাজ: বেলকুচির আজগড়ায়
প্রায় ৭ একর জমির ওপর মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট, সিরাজগঞ্জ স্থাপন শিক্ষা কার্যক্রম,
ছাত্রাবাস, পুকুর ও গবেষণাগার নির্মাণ।** **বাস্তবায়নকারী: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
২০০৯ ২০১৩ মেয়াদে অনুমোদিত; পরবর্তীতে উদ্বোধন** **বরাদ্দ: তিনটি ইনস্টিটিউট স্থাপন
প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ৫৬.৭০ ৯০ কোটি টাকা; সিরাজগঞ্জ অংশে ব্যয় প্রায় ২৫ থেকে
৩০ কোটি টাকা।**

**২। প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য হ্যাচারি উন্নয়ন বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর**
 **প্রধান
কাজ: উপজেলা প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র আধুনিকায়ন, কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র স্থাপন,
যমুনা নদী ও জলাশয়ে পোনা অবমুক্তকরণ এবং মৎস্যজীবীদের পুনর্বাসন প্রকল্প।** **বাস্তবায়নকারী:
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ২০০৯ ২০১৩** **বরাদ্দ: বিভিন্ন অর্থবছরে প্রকল্প ও রাজস্ব
খাত থেকে আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা।**

**৩। নদী ভাঙন রোধ ও তীর সংরক্ষণ বেলকুচি ও এনায়েতপুর**
 **প্রধান কাজ: বেলকুচির রাজাপুর,
দৌলতপুর, বেলকুচি সদর এবং এনায়েতপুরের ব্রাহ্মণগ্রাম থেকে পাঁচিল ও খুকনী এলাকায় 
যমুনা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ ও জিও ব্যাগ ডাম্পিং প্রকল্প।** **বাস্তবায়নকারী: বাংলাদেশ
পানি উন্নয়ন বোর্ড পাউবো ১৯৯৬ ২০০১ ও ২০০৯ ২০১৩** **বরাদ্দ: একাধিক ধাপে জরুরি ও স্থায়ী
তীর সংরক্ষণ কাজে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কোটি টাকার অধিক।**

**৪। চৌহালী উপজেলা রক্ষা বাঁধ চৌহালী**
 **প্রধান কাজ: যমুনার ভাঙন থেকে চৌহালী উপজেলা
সদর ও সংলগ্ন ইউনিয়নগুলো রক্ষায় তীর সংরক্ষণ ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ ও প্রাথমিক
পর্যায়ের কাজ।** **বাস্তবায়নকারী: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড পাউবো ২০০৯ ২০১৪ ও
পরবর্তী ধারাবাহিক প্রকল্প** **বরাদ্দ: চৌহালী শহর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পে অনুমোদিত বরাদ্দ
প্রায় ১০৯ কোটি টাকা ও জরুরি মেরামতে অতিরিক্ত ১০ ১৫ কোটি টাকা।**

**৫। প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো এনায়েতপুর ও বেলকুচি**
 **প্রধান কাজ: ২০০০ সালে
এনায়েতপুর থানা প্রতিষ্ঠা ও ভবন নির্মাণ, এনায়েতপুর কাপড়ের হাট স্থাপন ও উন্নয়ন,
বেলকুচি উপজেলা কমপ্লেক্স সম্প্রসারণ এবং মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ।** **
বাস্তবায়নকারী: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পাউবো, এলজিইডি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
১৯৯৬ ২০০১ ও ২০০৯ ২০১৩** **বরাদ্দ: থানা, হাট ও উপজেলা অবকাঠামো এবং মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স
নির্মাণে সম্মিলিতভাবে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা।**

**৬। গ্রামীণ যোগাযোগ ও সেতু কালভার্ট বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর**
 **প্রধান কাজ:
বেলকুচি এনায়েতপুর আঞ্চলিক সড়ক উন্নয়ন, মুকন্দগাঁতী, তামাই, সমেশপুর, ধুকুরিয়াবেড়া
ও সাদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের গ্রামীণ রাস্তা পাকাকরণ এবং ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ।****
বাস্তবায়নকারী: এলজিইডি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় টিআর কাবিখা 
২০০৯ ২০১৩** **বরাদ্দ: ৫ বছরের মেয়াদে বিভিন্ন গ্রামীণ অবকাঠামো ও সড়ক প্রকল্পে আনুমানিক
৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকা।**

**৭। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও একাডেমিক ভবন বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর**
 **প্রধান কাজ:
বেলকুচি ডিগ্রি কলেজ পরবর্তীতে সরকারি, দৌলতপুর ডিগ্রি কলেজ, সোহাগপুর ও এনায়েতপুরের
বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ।****
বাস্তবায়নকারী: শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০০৯ ২০১৩** **
বরাদ্দ: নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কার খাতে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকা।**

**৮। ধর্মীয়, সামাজিক ও ক্ষুদ্র অবকাঠামো বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর**
 **প্রধান
কাজ: মসজিদ, মন্দির, ঈদগাহ মাঠ, কবরস্থান সংস্কার, গভীর নলকূপ স্থাপন, যাত্রীছাউনি,
জেলা পরিষদ ডাকবাংলো সংস্কার এবং দুস্থদের মাঝে সেলাই মেশিন ও শিক্ষা বৃত্তি প্রদান।****
বাস্তবায়নকারী: সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ এডিপি ও রাজস্ব বাজেট ২০১৪ ২০২৩, জেলা পরিষদ 
চেয়ারম্যান থাকাকালীন** **বরাদ্দ: প্রতি অর্থবছরে গড়ে ৩ ৪ কোটি টাকা করে প্রায় ৯
বছরে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩৫ কোটি টাকা।**

**অঞ্চলভিত্তিক উল্লেখযোগ্য কাজের সারসংক্ষেপ**

**১। বেলকুচি উপজেলা**
 **কারিগরি ও মৎস্য শিক্ষা: মন্ত্রী থাকাকালীন বেলকুচির আজগড়ায়
মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট অনুমোদন ও নির্মাণকাজ শুরু করা তাঁর অন্যতম বড় প্রকল্প,
যা থেকে প্রতি সেমিস্টারে ডিপ্লোমা ইন ফিশারিজ কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।** **
তাঁত ও গ্রামীণ অর্থনীতি: বেলকুচির তাঁতপ্রধান গ্রামগুলোর তামাই, সমেশপুর, মুকন্দগাঁতী,
চালা সাথে উপজেলা সদরের সংযোগ সড়ক পাকাকরণ এবং শতভাগ বিদ্যুতায়নের প্রাথমিক পর্যায়ের
সংযোগ সম্প্রসারণ।** **পৌর ও উপজেলা অবকাঠামো: বেলকুচি উপজেলা পরিষদ চত্বরের আধুনিকায়ন,
অডিটোরিয়াম সংস্কার এবং বেলকুচি পৌর এলাকার যেখানে তাঁর সহধর্মিণী বেগম আশানূর বিশ্বাসও
এক মেয়াদে মেয়র ছিলেন ড্রেনেজ ও সড়ক উন্নয়ন।**

**২। এনায়েতপুর থানা অঞ্চল**
 **প্রশাসনিক উন্নীতকরণ: ১৯৯৬ ২০০১ মেয়াদে সংসদ সদস্য
থাকাকালীন বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন সমন্বয় করে ২০০০ সালে
এনায়েতপুরকে স্বতন্ত্র থানায় উন্নীত করা হয়।** **এনায়েতপুর কাপড়ের হাট: এ অঞ্চলের
তাঁতিদের উৎপাদিত কাপড় বাজারজাতকরণের সুবিধার্থে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা ব্যবহারের
অনুমতি সাপেক্ষে এনায়েতপুর কাপড়ের হাট স্থাপন ও শেড নির্মাণ।** **যমুনার ভাঙন রোধ:
এনায়েতপুরের ব্রাহ্মণগ্রাম, আড়কান্দি ও খুকনী এলাকায় নদী ভাঙন রোধে একাধিক জরুরি
জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও সিসি ব্লক স্থাপন প্রকল্প।**

**৩। চৌহালী উপজেলা**
 **ভাঙনকবলিত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ: চৌহালী উপজেলার বড় অংশ 
যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় উপজেলা সদর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের উদ্যোগ গ্রহণ এবং ভাঙনকবলিত
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনগুলো নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর ও পুনর্নির্মাণ।****
চরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়ন: চরাঞ্চলে সোলার প্যানেল বিতরণ টিআর কাবিখা কর্মসূচির আওতায়,
বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চরাঞ্চলের
খামারিদের গবাদিপশু পালন ও মৎস্য চাষে বিশেষ প্রণোদনা প্রদান।**

**২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ ৫ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন
মরহুম আব্দুল মজিদ মণ্ডল ২০১৪ ২০১৮ এবং আব্দুল মোমিন মণ্ডল ২০১৮ ২০২৪। ফলে এই দশকে 
জাতীয় সংসদের টিআর, কাবিখা ও এমপি কোটার বরাদ্দ তাঁদের মাধ্যমে এবং জেলা পরিষদের বরাদ্দ
আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে।**

## দফায় দফায় সংঘর্ষের পর শান্ত সাভার, বন্ধ শতাধিক কারখানা

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/04/%e0%a6%a6%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a6%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/
- Published: 2026-11-04T22:05:35+00:00
- Author: admin

# **ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ ও অন্যায়ভাবে ছাঁটাই বাতিলের দাবিতে ঢাকার সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা।**

# **বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড়, হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড ও উলাইল এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং পাঁচ সাংবাদিকসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।**

## জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ফের ককটেল বিস্ফোরণ

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/04/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%be/
- Published: 2026-11-04T18:10:05+00:00
- Author: admin

**রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে আবারও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে
দুর্বৃত্তরা।**

বুধবার (৪ নভেম্বর) দিবাগত রাতে এই বি‌স্ফোরণ ঘটা‌নো হয়।

তেজগাঁও বিভাগের ডি‌সি ইবনে মিজান বলেন, রাত ১১টার পরে দুর্বৃত্তরা একটি রিকশায় করে
এসে জুলাই জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। তবে এ ঘটনায়
কেউ আহত হয়নি।

তি‌নি ব‌লেন, ঘটনায় জ‌ড়িত‌দের শনাক্ত ক‌রে আইনের আওতায় চেষ্টা চল‌ছে।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর শেরেবাংলা নগর এলাকার জুলাই জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে দুর্বৃত্তরা
পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে, যার মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয় এবং অন্যটি অবিস্ফোরিত অবস্থায়
পড়ে থাকে। প‌রে ডিএমপির বোমা ডিসপোজাল ইউনিট অবিস্ফোরিত ককটেলটি নিষ্ক্রিয় করে।

এ ঘটনায় মো শাহীন ওরফে আরিফ মোল্লা (৪৫) নামের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আহত হন।
তার শরীরে স্প্লিন্টার আঘাত করে। প‌রে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ 
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

## কিশোরগঞ্জে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের ছেলেকে ছুরিকাঘাত

- Link: https://bdonlinenwespaper.digital/2026/11/04/%e0%a6%be%e0%a6%be%e0%a6%be/
- Published: 2026-11-04T17:59:15+00:00
- Author: admin

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার গচিহাটা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তরা শাহরিয়ার জামানকে ছুরিকাঘাত করে
পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের সাবেক
সংসদ সদস্য। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা
হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে জাতীয় নির্বাচনের আগে
তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

এর আগে বিমানবন্দরে লাগেজ-সংক্রান্ত একটি ঘটনায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের করা মামলায় 
গ্রেপ্তার হন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন। দুই দিন আগে তিনি জামিনে কারামুক্ত হন।

এ বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কী কারণে এবং কারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে
দেখা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
